Monday, 1 July 2019

ফারূকী খেলাফতে আব্বাস (রা:) অর্থনৈতিক সুবিধাদি

ফারূকী খেলাফতের শেষের দিকে বিপুল বিজয়ের
দরুণ প্রচুর যুদ্ধলব্ধ সম্পদ অর্জিত হয়। এই সম্পদ বন্টনের জন্য ইজতেমা হয়। সিদ্ধান্ত হয় যারা ইসলাম গ্রহণে অগ্রজ ও সর্বপ্রাচীন তাদেরকে আগে ভাগে রাখতে হবে। এছাড়া হযরত ওমর (রা:) ফরমান জারী করেন, নবীজীর নিকটাত্মীয়দের বেতন -ভাতা সর্বগ্রে আদায় করতে হবে। নিয়মিত বেতনভোগীদের তালিকা করে বায়তুল মালে জমা করবে। সময়ে সুযোগে দফায় দফায় এদের সুবিধাদি পরিশোধ করতে হবে। গুষ্ঠি -জ্ঞাতির যারা বংশ বংশ বিশেষজ্ঞ তাদের মাধ্যমে নামধাম রেজিস্টারে তুলবে।
 "হযরত ওমর ফারূক (রা:) ওয়ালিদ ইবনে হিশামের উক্ত প্রস্তাবনা পছন্দ করলেন। কুরাইশ বংশবিশেষজ্ঞ আকীল ইবনে আবু তালেব, মাখরাম ইবনে নওফেল,  জুবাইর ইবনে মুতঈমকে ডেকে বলেন, কুরাইশ বংশের বিস্তারিত নাম রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ কর। (কেউ মাঝখানে, খলীফায়ে ইসলাম উমর (রা:) এর বংশের নাম আগে লিপিবদ্ধ করা হোক বলে ওঠলে)  ফারূকে আযম (রা:) বললেন, না। নবী বংশের নাম সবার আগেভোগে এবং তাঁর নিকটাত্মীয়দের নাম লেখতে হবে। উমর (রা:) কে সেখানেই রাখো যেখানে আল্লাহ তাকে রেখেছেন। ( অর্থাৎ তার নাম পরে) শীয়াদের কিতাবেও বিষয়টির স্বীকৃতি
বিদ্যমান।।

No comments:

Post a Comment