গ্রীক পুরাণশাস্ত্র মতে হেলেন (Helen,গ্রীক ভাষায় Helene) ছিলেন Zeus ও Leda -র কন্যা। Sparta 'র হেলেন এবং পরবর্তীকালে Helen of Troy হিসেবেও তিনি সমধিক পরিচিতি পেয়েছেন। অপরূপ সুন্দরী হিসেবে হেলেনর ছিল জগৎজোড়া খ্যাতি। অকেন রাজা, রাজপুত্র এই রূপলাবণ্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তার পাণিপ্রার্থী হয়েছিলেন। অবশেষে হেলেন পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন Sparta 'র রাজা Menelaus এর সঙ্গে। একদা হেলেন ট্রয়ের রাজপুত্র paris কর্তৃত অপহৃত হন। ফলে Trojan যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে।
জীবনের অনেক চড়াই -উৎরাই পেরিয়ে আসা হেলেন সম্পর্কে প্রখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার Christopher Marlowe -র মন্তব্য : the face
that launched a thousand ships. এখন জ্যামিতিতে হেলেনের আগমনী প্রসঙ্গ টানা যাক। চক্রিমা (cycloid) আকর্ষনীয় ও চমকপ্রদ জ্যামিতিক চিত্র। একটি সরলরেখায় চলমান কোন বৃত্তাকার চাকার পরিধিস্হ বিন্দুর দ্বারা সৃষ্ট বক্ররেখা হচ্ছে চক্রিমা যা
simple/common cycloid. চাকার বহিস্হ বিন্দুর সঞ্চারপপত্র curtate cy -cloid. আর অন্তস্হ বিন্দুর সঞ্চারপথ prolate cycloid রূপে আখ্যাত হয়ে থাকে। জ্যামিতি ও ক্যালকুলাসের এ এক অপরিহার্য পাঠ। চক্রিমার সমীকরণ x = a(t-sint) , y = a (l- cost)। রেখাটির নাম দেন গ্যালিলিও (১৫৯৯)। এর সমীকরণের রূপপ্রকৃতি
থেকে ক্যালকুলাসের বহু বিভিন্ন তথ্য আবিষ্কৃৃত হয়েছে। এ আবিষ্কারের ফরাসী গণিতবিদ ফার্মা
(Fermat) ও পাসক্যালের (Pascal) অবদান উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের Fort Worth -এর Kimbell Art Museum -এর নকশায় চক্রিমা সদৃশ arch ব্যবহার করেন স্হপতি Louis Khan. নিউ হ্যাম্পশায়ারের হানোভারে অবস্হিত Hopkins Center - এও এ ধরনের নকশা শুভা পাচ্ছে। চক্রিমার অনুপম নির্মাণশৈলী একে তুলনীয় করেছে ইতিহাসখ্যাত অনিন্দ্যসুন্দরী রমণী 'হেলেন' -এর সাথে। বলা হয়েছে 'জ্যামিতিররহেলেন।
দি নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া বৃটানিকা পঞ্চদশ খণ্ডে (১৯৮৮) চক্রিমা সম্পর্কে বর্ণিত বিশেষ মন্তব্য : lts beautiful properties led many disputes over priority and it has been called the Helen of Geometry অন্যভাবে চক্রিমাকে বলা হয়েছে, The Helen of Geometers'as it provokes quarrels among 17th century mathematicians.
Tuesday, 5 November 2019
Monday, 4 November 2019
চীনের মহাপ্রাচীর
ইংরেজিতে একে বলে দ্য গ্রেট ওয়াল অব চায়না। পাথর ও মাটি দিয়ে তৈরি দীর্ঘ প্রাচীর সারি। খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতক থেকে খ্রিষ্টীয় ১৬শ শতক পর্যন্ত চীনের উত্তর সীমান্ত রক্ষা করার জন্য এটি তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। অনেকগুলো প্রাচীরই তৈরি করা হয়েছিল, তবে চীনের প্রথম সম্রাট কিন শি হুয়াঙের অধীনে নির্মিত প্রাচীরটিই সবচেয়ে বিখ্যাত। এটি বর্তমান প্রাচীরের অনেক
উত্তরে অবস্হিত এবং এর খুব সামান্যই অবশিষ্ট আছে। বার্তমানে প্রাচীরটি মিং রাজবংশের শাসনামলে নির্মিত হয়। এর মূল অংশের নির্মাণ শুরু হয়েছিল প্রায় খ্রিষ্টপূর্ব ২০৮ সালের দিকে। তিনটি রাজবংশ : যেমন কিউইন , হান এবং মিং -এর সময় বিভিন্ন জীবিকার মানুষজন এই বিশাল
প্রাচীরটির নির্মাণে যুক্ত ছিল। এই স্হানটির সবচেয়ে সু -সংরক্ষণ ও সংস্করণ প্রাচীন মিং রাজবংশের সময়েই হয়েছিল।
১৯৮৭ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্হান হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ।
উত্তরে অবস্হিত এবং এর খুব সামান্যই অবশিষ্ট আছে। বার্তমানে প্রাচীরটি মিং রাজবংশের শাসনামলে নির্মিত হয়। এর মূল অংশের নির্মাণ শুরু হয়েছিল প্রায় খ্রিষ্টপূর্ব ২০৮ সালের দিকে। তিনটি রাজবংশ : যেমন কিউইন , হান এবং মিং -এর সময় বিভিন্ন জীবিকার মানুষজন এই বিশাল
প্রাচীরটির নির্মাণে যুক্ত ছিল। এই স্হানটির সবচেয়ে সু -সংরক্ষণ ও সংস্করণ প্রাচীন মিং রাজবংশের সময়েই হয়েছিল।
১৯৮৭ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্হান হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ।
Subscribe to:
Posts (Atom)