Monday, 24 June 2019

খলীফা ওমর (রা:) এর বেতন -ভাতা

ফারুকে আযম (রা:) মুসলিম জাতির খলীফা হলে তাঁর নিজস্ব ব্যবসা -বাণিজ্য ও আয় -রোজগারে যথেষ্ট ঘাটতি দেখা দেয়। কাজেই এ সময় তাঁর বেতন -ভাতা নির্ধারণে সাহাবায়ে কেরাম পরামর্শে
বসেন, ঐতিহাসিক ইবনে সা'দ ও ইবনে জারীর ত্ববারী লেখেন --
   "সাহাবায়ে কেরামের কাছে হযরত ওমর (রা:) লোক প্রেরণ করে তার বেতন -ভাতা বিষয়ে পরামর্শ চাইলেন। বললেন,আমি একজন ব্যবসায়ী। তোমাদের খেদমত আমাকে তা থেকে 
বঞ্চিত করছে। আমি এখন খেলাফতকার্যে প্রচুর সময় ব্যয় করছি। এক্ষণে বায়তুল মাল থেকে আমার জন্য কিছুু নেওয়া বৈধ হবে কী? হযরত ওসমান ও হযরত সাঈদ ইবনে যায়েদ (রা:) রায় প্রদানপূর্বক বললেন, আপনি বায়তুল মাল থেকে নিতে পারেন, অন্যকেও দিতে পারেন। পরে তিনি হযরত আলী (রা:) এর মত চাইলেন। বললেন,আলী! আপনার খেয়াল কী? হযরত আলী (রা:) বললেন,আপনি আপনার নিজের ও বালবাচ্চার খোরপোষ নিতে পারেন। হযরত আলী (রা:) মতই গৃহীত হলো।
ওলামায়ে কেরাম লিখেন, হযরত উমর (রা:) বায়তুলমাল থেকে খর্চা -খোরাক মিলত। দু'জোড়া পোষাক জুটত। গরমে একজোড়া, শীতে আরেক। সকলের জন্য একটি উট ও একজন প্রটোকল অফিসার (খাদেম) পেতেন। এই সামান্য ফ্যাসিলিটি ছিল অর্ধ পৃথিবীর বাদশাহ ফারুকে আযমের যার নাম শুনলে কেঁপে উঠত কাইসার ও কিসারার কলিজা। যিনি খেজুর পাতার চাটাইতে বসে ফরমান লিখতেন রোম ও ইরান সম্রাটের
কাছে। 

No comments:

Post a Comment