হিজরীতে হযরত ওমর (রা:) মসজিদে নববীতে
জামায়াত বদ্ধভাবে তারাবীহ আদায়ের সিদ্ধান্ত দেন। ইবনে খাইয়াতের ভাষ্য --
হযরত ফারূকে আযম (রা:) এর শাহাদতের পরে হযরত ওসমান (রা:) খেলাফতের মসনদে বসেন।
একবার তিনি মসজিদে এসে দেখলেন মসজিদ আলোকময়। মানুষেরা জড়ো হয়ে তারাবীহ আদায় করছে। কোরআন তেলাওয়াত করছে।
এই অশ্রুতপূর্ব দৃশ্য দেখে হযরত আলী (রা:) ফারূকে আযম (রা:) এর সম্পর্কে বললেন --
"আল্লাহপাক হযরত ওমর (রা:) এর কবরকে আলোকিত করেন যিনি আমাদের মসজিদকে আলোকিত করেছেন।
সুধী পাঠক! লক্ষ্য করুন! জামাতবদ্ধ তারাবীহ ১৪ হিজরীতেই শুরু। পরবর্তীতে ইসলামপন্থীরা প্রতি বছর এটি পালন করে আসছে। ফারূকী ও ওসমানী খেলাফতে এটি জারী ছিল। হযরত আলী (রা:) ও একে পছন্দ করে জারী রেখেছিলেন। বন্ধ করেননি। একবার মর্ম হলো, আমীরুল মুমিনীন দ্বীনের যে কাজটি সর্বদা জারী রাখতেন -তা দ্বীনই ছিল, বেদয়াত নয়। তা সঠিক ছিল -ভুল নয়। তবেই না হযরত শেরে খোদা একে শরীয়তসিদ্ধ হিসেবে আমল করেছেন। তবেই না হযরত আলী
(রা:) ফারূকে আযমের শানে ওই বিষয়ে দোয়া করেছেন। কাজেই তিন খলীফার যুগে সর্বসম্মাতিক্রম সিদ্ধান্ত হওয়া বিষয়কে বেদয়াত বলা তাঁদের মর্যাদার প্রতি চরম অবমাননা বৈকি।
No comments:
Post a Comment