সমাজের নিয়ম হল, খুশী -আহলাদ ও আনন্দঘন অনুষ্ঠানে বন্ধু -বান্ধবদের দাওয়াত করা। এই নিয়মের ব্যতিক্রম নন হযরত ওমর (রা:)। তিনি তার বিয়ে -শাদীতে অন্যান্য বন্ধু -বান্ধবদের পাশাপাশি হযরত আলী (রা:) কেও বিয়ের দাওয়াত করতেন। হযরত আলী (রা:) ও সন্তুষ্টচিত্তে এসব দাওয়াতে শরীক হতেন। এখানে
আমরা ইবনে আব্দুল বার (রহ:) এর 'ইস্তিয়াব' থেকে উদ্ধৃতি টানব। তাঁর ভাষ্য --
"খলীফা ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা:) এর সাথে ১২
হিজরীতে আতেকাহ বিনতে যায়দ (রা:) এর বিয়ে হয়। বৌভাতে হযরত উমর (রা:) বন্ধু -বান্ধবদের দাওয়াত করেন। আনন্দ -ফুর্তিস্বরূপ হযরত আলী (রা:) বলেন, আমীরুল মুমিনীন! আমি আপনার স্ত্রী আতেকার সাথে একটু কৌতুক করতে পারি কী? হযরত উমর (রা:) অবশ্যই, কেন নয়? হযরত আলী (রা:) পর্দার বাইরে থেকে আতেকাহ (রা:) কে কিছু কবিতা স্মরন করিয়ে দেন - 'স্বামী হে! আমি কসম খেয়েছি, আমার চোখ তোমার বিরহে সর্বদা বিমর্ষ থাকবে। দেহ থাকবে ধূলি ধুসরিত।
এই স্মৃতিচারনে আতেকাহ কাঁদতে লাগলে হযরত উমর (রা:) আলী (রা:) কে বললেন, হে আবুল হাসান! আপনি তাকে আরো বিমর্ষ করে তুলছেন। নারীরা তো অমনটা করবেই। (পেছনের কথা স্মরণ করলে তাদের অবস্হান এমনই হবে।
ভাবা যায়! খলীফা উমর (রা:) এর সদ্য বিবাহিতা
স্ত্রীর সাথে হযরত আলী (রা:) পেছনের কথা স্মরণ করিয়ে কৌতুক করছেন। এরদ্বারা প্রতীয়মান হয়, তাদের মাঝে কী প্রকার সুসম্পর্ক ছিল।।
No comments:
Post a Comment