Wednesday, 8 May 2019

নবী পরিবারের স্বাক্ষ্যঃ খোলাফায়ে রাশেদার দায়মুক্তিতে

 এবার আমরা এ প্রসংগে নবী পরিবারের দু'চারজনের স্বাক্ষ্য নেব । প্রথমেই ইমাম যাইনুল আবিদীনের পুত্র ইমাম বাকের (রা:) এর মতামত জানব যার কথা আহলুস সুন্নাহ ও শীয়া ওলামাদের কিতাবে সমানে দেখতে পাওয়া যায়।
সুন্নীদের কিতাবের মধ্যে 'ফাযায়েলে আবূ বকর সিদ্দীক ' - এ ইমাম বাকের (রা:) এর ভাষ্য এভাবে বিবৃত হয়েছে -
"কাসিরুন্নওয়া বলেন, আমি ইমাম বাকের (রা:) -কে জিজ্ঞেস করেছি আবূ বকর ও ওমর (রা:) আপনাদের অধিকার নিয়ে কখনো জুলুম করেছেন কী ? ইমাম বাকের (রহ:) বললেন, আদৌ না । কসম সেই সত্বার যিনি গোটা বিশ্ববাসীর জন্য কুরআনকে (জাহান্নামের) ভীতিস্বরূপ নাযিল করেছেন , তাঁরা দু'জনা আমাদের অধিকার তিল বরাবরও ক্ষুন্ন করেননি।
'ওয়াফাউল ওয়াফা' পুস্তকে আল্লামা সামহুদীর ভাষ্যঃ
"কাসীরুন্নওয়া বলেন, আমি ইমাম মুহাম্মাদ বাকের (রহ:) কে বলি, আল্লাহ আমাকে আপনার প্রতি কোরবান হবার তৌফিক দান করুন। বলুন!  আবূ বকর (রা:) ও ওমর (রা:) আপনাদের অধিকারের প্রতি কোনও জুলুম বাকী রেখেছেন কী ? কিংবা তারা আপনাদের অধিকার ক্ষুন্ন করেছেন কি -না?  ইমাম এ কথার জবাবে বলেন, না! কসম সেই সত্ত্বার যিনি (জাহান্নামের ভীতি প্রদর্শনকারীর) ওপর কুরআন নাযিল করেছেন, 
আমাদের অধিকার বিষয়ে এ দু'জনা তিল বরাবরও জুলুম করেননি । পুনরায় আরয করি, আমি আমাকে আপনার প্রতি উৎসর্গ করছি, আমি কী উক্ত দু'জনার সাথে বন্ধুত্ব করতে পারি?
তিনি বললেন, দুনায়া -আখেরাতে তুমি তাঁদের সাথে বন্ধুত্ব রাখতে পার। আর এ কারণে তোমার প্রতি কোন মসিবত এলে এ জন্য তুমি এর দায়ভার আমার ঘাড়েই চাপাতে পার। অর্থাৎ তুমি
নিশ্চিতে এটা করতে পার। পরে বললেন , আল্লাহ পাক মুগিরা ও বান্নানের প্রতি সেই ব্যবহার করুন যার যোগ্য তারা। কেননা এরা দু'জনা আমাদের আহলে বাইতের প্রতি খামোকা মিথ্যা লিখেছে। তারা নিজেদের মনগড়া কথায় আমাদের নাম জুড়ে দিয়েছে "।
উপরোক্ত স্বাক্ষ্য সুন্নিদের কিতাব থেকে চয়নিত । এবার আমরা একটু শীয়াদের লিখিত পুস্তকের প্রতি নজর বুলাব। সেই মহান ইমাম বাকের (রা:) -
এরই ভাষ্য --

No comments:

Post a Comment