Monday, 6 May 2019

তিন খলীফার যুগে নবী পরিবারের যুদ্ধলদ্ধ মাল (ফাই) প্রাপ্তি

বন্টননীতি বিশ্লেষণের পর সংক্ষেপে মাল ফাই নিয়ে কিছু কথা বলা জরুরী । সুধী পাঠকদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, 'মালে গণীমত ' ওই মালকে বলা হয় যা কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করার পর মুসলমানদের হস্তগত হয় । এই মালকে পাঁচ ভাগ করা হয় । চার ভাগ উপস্হিত মুজাহিদদের মাঝে ভাগ করা হয়। আর এক ভাগ বায়তুলমালে প্রেরণ করা হয় । 'মালে ফাই' ওই মালকে বলা হয় যা যুদ্ধ ব্যতিরেকে মুসলমানদের হস্হগত হয় । মালে ফাই অনেক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন, 
(১ ) আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অংশ (২ ) রাসূলের
আত্মীয়দের অংশ (৩)  ইয়াতীমদের অংশ ( ৪ ) মিসকীনদের অংশ (৫ ) মুসাফির (পর্যটক) দের অংশ। এভাবেই সূূরা হাশরের মধ্যে বর্ণিত আছে।
    সুধী পাঠকদের খেদমতে এখানে আরেকটি
দিক আমরা তুলে ধরতে চাই । তাহল, মালে ফই -এর যা নবী পরিবারের জন্য বরাদ্দ ছিল , তা হযরত আলীর তত্বাবধানে বন্টিত হত। এ প্রসংগে
আমরা বুখারীসহ কিছু কিতাবে বর্ণিত 'একটি রেওয়ায়েতের প্রতি প্রমাণস্বরূপ চোখ বুলিয়ে নিতে পারি -- -

"মদীনার বনী নযীরের থেকে অর্জিত মাল -সম্পদে বনী হাশেম ও নবী পরিবারের করাদ্দের
দায়িত্বটি হযরত আলী (রা:) এর স্কন্ধেছিল। এই
মালের হিস্যা নিয়ে হযরত আলী (রা:) ও তাঁর চাচা হযরত আব্বাস (রা:) এর মধ্যে মত পার্থক্য চলে আসাছিল। হযরত ওমর (রা:) তাদের দাবী উভয়ের মতানৈক্যের দরুন ওই মাল বন্টন করতে
পুরোদস্তুর অস্বীকার করে বসেন । ব্যাপারটি আঁচ করতে পেরে হযরত আব্বাস (রা:) দাবী -দাওয়া থেকে নিজেকে সড়িয়ে নেন। হযরত আলী (রা:)
এর ইন্তেতালের পর বিষয়টি হযরত হাসান (রা:)
এর ওপর বার্তায়,  পরে হযরত হুসাইন (রা:) এর
ওপর । পরে আসে ইমাম যাইনুল আবিদীনের ওপর। এরপর হযরত হাসান ইবনে হাসান (রা:) এর ওপর। সর্বশেষে যায়দ ইবনে হাসানের ওপর ।
নিশ্চিতরূপে এগুলো সব রাসূলের সাদাকাহ ছিল।

No comments:

Post a Comment