১. স্ট্যান্ডার্ডটির আওতা -
এই স্ট্যান্ডার্ডটি প্রতিসাদনের মাধ্যমে ঋনের নিস্পত্তিকরন কাভার করেছে। স্টান্ডার্ডটি যেসব
ক্ষেত্রে প্রযোজ গবে না -
স্হানান্তরের মাধ্যমে দায়মুক্ত হওয়া, বাধ্যবাধকতা
ওয়েভার বা ছাড় দেয়া , রাইট পে এবল এর কম্পোজিশন, একুইজেশন অথবা দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বাতিল করা, কারন এগুলো তাদের প্রাসঙ্গিক স্ট্যান্ডার্ড এ বর্ণনা করা হয়েছে।
২. প্রতিসাদন এর সংজ্ঞা এবং এর বিভিন্ন ধরণ
প্রতিসাদন হচ্ছে একটি ঋন প্রাপ্যকে ঋন প্রদেয় দ্বারা আবদমন বা অবসান করা । এটি প্রধানত দুই ধরনের - বাধ্যতামূলক প্রতিসাদন এবং চুক্তিভিত্তিক প্রতিসাদন।
২/১ বাধ্যতামূলক প্রতিসাদন
এটি এমন ধরনের প্রতিসাদন যার জন্য কোন দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বা ঋনগ্রস্হ দুই পক্ষের কোন সম্মতির প্রয়োজন হয় না । কোন কোন ক্ষেত্রে এটি এমন প্রতিসাদন যা এক পক্ষের অনুরোধের প্রেক্ষিতে অন্য পক্ষকে বাধ্য করা হয়। এটি দুই ভাগে বিভক্ত আবশ্যকীয় প্রতিসাদন (দুই পক্ষের)
(২) ও চাহিদা প্রতিসাদন (সুপরিয়র ঋনীর চাহিদা সাপেক্ষে অপর পক্ষকে বাধ্য করা)
২/১/১ বাধ্যতামূলক প্রতিসাধন হচ্ছে দুটি ঋনের স্বতঃ স্ফূর্ত ছাড় যা উভয় পক্ষ বা যে কোন পক্ষের অনুরোধ বা সম্মতির শর্ত সাপেক্ষ নয় ।
২/১/২ বাধ্যতামূলক প্রতিসাদনের বৈধতার শর্ত সমূহ নিম্নরুপঃঃ
ক. উভয় পক্ষ একই সময় পাওনাদার ও দেনাদার হবে।
খ. উভয় ঋন একই রকম ও ধরনের , একই বর্ণনা ও ম্যাচুয়িরিটির হবে। অধিকন্ত দুটো ঋন যদি পরিমানে সমান না হয়, প্রতিসাদন উভয় পক্ষের মাঝে সমপরিমানে হবে এবং বড় অংশের পাওনাদার অবশিষ্ট পরিমান ঋন পাওনা
থাকবেন।
গ. দুটো ঋনের কোনটিই তৃতীয় পক্ষের বাধ্যবাধকতা দ্বারা ভারাক্রান্ত থাকবে না। যেমন যেকোন একটি ঋনে মর্টগেজ এর অধিকার । এর
উদ্দেশ্য হচ্ছে ঋনের সাথে জড়িত তৃতীয় পক্ষের
অধিকারকে সুরক্ষা দেয়া ।
No comments:
Post a Comment